45+ Student Teacher Jokes - ৪৫+ ছাত্র শিক্ষকের জোকস্

Admin
0

 45+ Student Teacher Jokes - ৪৫+ ছাত্র শিক্ষকের জোকস্ 

45+ Student Teacher Jokes - ৪৫+ ছাত্র শিক্ষকের জোকস্


একদিন শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, ‘বলো তো দেখি, মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না?’

ছাত্র মাথা চুলকে বলল, ‘স্যার, তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সাথে সাথে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত, আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না!’



: তোমরা গতকাল ভাইস প্রিন্সিপাল স্যারের বাসার পাশ থেকে আম চুরি করে খেয়েছ?

: জি না, স্যার!

: সত্যি করে বলো, পরে জানতে পারলে কিন্তু কলেজ থেকে বের করে দেব।

: না স্যার, আমরা খাইনি।

: দেখো, আমরা কিন্তু সব রুম চেক করব, কারও রুমে যদি বাকল বা বিচি পাই, তাহলে কিন্তু খবর আছে!

: সমস্যা নেই, সব বাইরে ফেলে দিয়েছি।



ক্লাস ওয়ানের বল্টুকে শিক্ষকের প্রশ্ন,

শিক্ষকঃ বলতো বল্টু সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি?

বল্টুঃ হাতি স্যার!

শিক্ষকঃ কেন?

বল্টুঃ দেখেন না স্যার, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাত বের করে রাখে



: দুই ঘণ্টা ধরে কলেজের অধিনায়ক ভাইয়া তোদের কী বললেন?

: ভাইয়া যে কম কথার মানুষ, সেটাই বুঝিয়ে বললেন।



শিক্ষক:চোর সম্পর্কে একটা ভালো উদাহরণ দিতে পারবে?

ছাত্র:চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। অতএব নিজের বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য চোরকে সবসময় পালাতে দিতে হবে।



প্রথম দিন প্যারেড গ্রাউন্ডে যেতেই অধিনায়ক জোরে চিৎকার করে উঠলেন, ‘প্যারেড, সাবধান হবে সাবধান!’

আমি চারদিকে তাকালাম, প্যারেড আবার কার নাম?



শিক্ষক: কে ''I lovE YOu'' আবিঙ্কার করেছে ??

ছাত্র.: CHina কোমপানী|

শিক্ষক: (অবাক হয়ে)

কীভাবে বুঝলে বাবা??

ছাত্র: এর কোন GUARAntee নাই QUAlity ও নাই....|

....

....

টিকলে সারাজীবন টিকে না টিকলে ২ দিন ও টিকে না.......



ক্লাসে স্যার আসছিলেন না। ভীষণ হাউকাউ। তাই হাসান ডিপার্টমেন্টে গেল স্যারকে ডেকে আনতে। গিয়ে পেল জাহাঙ্গীর স্যারকে। বলল, ‘স্যার, প্লিজ, একটু ক্লাসে আসেন! আপনি এলে ক্লাসটা ঠান্ডা হবে।’ স্যার বললেন, ‘মানে কী? আমি বরফ নাকি?’



শিক্ষক :- বলতো ’সামথিং ইজ বেটার দান নাথিং ’এর অর্থ কি?

 ছাত্র :- স্যার! সামসুদ্দিনের বেটার নাতিন।



শিক্ষক ক্লাশে পড়াচ্ছেন...এক ছাত্র হঠাৎ দাড়িয়ে বলল..

ছাত্র : স্যার স্যার....মুতব!

স্যার : যা,তাড়াতাড়ি আসবি...যত্তসব।

একটু পর আবার অন্য একজন ছাত্র দাড়িয়ে বলল...

ছাত্র : স্যার..... মুতব!!

স্যার রেগে গিয়ে :এই, তোদের মুখ দিয়ে কি প্রসাব বের হয় না?'

ছাত্র : না স্যার,আপনার বের হয় ?'



স্যার রাশভারী কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাকে গতকাল কোথায় যেন দেখেছি?’

ক্যাডেট সানি তার চেয়েও রাশভারী কণ্ঠে বলল, ‘স্যার, আমি তো গতকাল কলেজ পালিয়ে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানেই…!’

স্যার আতঙ্কিত মুখে চারদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আস্তে…আস্তে! এটা এত জোরে বলার কী আছে! যাও, নিজের কাজ করো।’



শিক্ষকঃ কি রে মন খারাপ কেনো?

ছাত্রঃ কৈ না তো সার

শিক্ষকঃ আরে লজ্জা পাস না,বন্ধু ভেবে বলে ফেল


ছাত্রঃ আর বলিস না দোস্ত তোর মেয়ে আমাকে আর আগের মতো ভালবাসে না!!!

.

.

শিক্ষক বেহুশ



শিক্ষকঃ যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)

শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?

ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই...



একদিন শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, ‘বলো তো দেখি, মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না?’

ছাত্র মাথা চুলকে বলল, ‘স্যার, তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সাথে সাথে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত, আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না!’



ছাত্র, ছাত্রী & শিক্ষক!!!

ক্লাসে স্যার ছাত্র ছাত্রীদের বললঃ একটা গান করোতো'

 ছাত্র ছাত্রীঃ ok স্যার ।

ছাত্রীঃ আতা গাছে তোতা পাখি, নারকেল গাছে ডাব ।

ছাত্রঃ তোরে আমি বিয়া করবো, কি করবে তোর বাপ ??

স্যারঃ It's 100% Love.. Love.. Love.



শিক্ষক আর ছাত্রের সাথে কথা হচ্ছে :

শিক্ষক :কিরে কাল না তোর পরিক্ষা।এখনো গুরা-গুরি করস!!! 

ছাত্র :হ্যাঁ স্যার!!!কিন্তু একটা সমস্যা 

শিক্ষক:কি সমস্যা বল???

ছাত্র :স্যার আমার বাল কেটে লাল করে দেন!!! 

শিক্ষক:কি!!!!হারামজাদা রাখ তোর বাপের কাছে বলতেছি।

ছাত্র :আসলে স্যার আপনি যা ভাবছেন তা না!!

শিক্ষক:কি তাহলে???আমার সাথে ইয়ার্কি!!

ছাত্র :না স্যার.।আমার নাম করিম লাল।  

কিন্তু admit এ ভুল করে করিম বাল লিখছেন।   

তাই বলছিলাম যদি বাল কেটে লাল করে দিতেন!!!!



ছাত্র-শিক্ষক!!!

Sir : যদি এমন একটা সময় আসে আগুন জ্বালানোর কিছুই না পাওয়া যায় তখন কিভাবে আগুন জ্বালাবে??

বল্টু : স্যার এটাতো খুব সহজ ! 

Sir : কিভাবে!!?

বল্টু : স্যার চুলার মধ্যে রবি সিম দিয়া 

বলব জলে উঠো আপন শক্তিতে!



শিক্ষক ও ছাত্রের কথোপকথন→→↓

শিক্ষক : তুমি কি বলবে Dialog নাকি Paragraph?

ছাত্র : Dialog বলব Sir.

শিক্ষক : ঠিক আছে বলো।

ছাত্র : শালা মারব এখানে লাশ পড়বে শসানে!!

শিক্ষক : কি!

ছাত্র : আমি তোর বাপ ফাটাকেষ্ট!



শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের ¬ বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে-

রানা : আমি পাইলট হতে চাই।

সুমিত : আমি ডাক্তার হতে চাই।

লিজা : আমি একজন ভালো মা হতে চাই।

রোকন : আমি লিজাকে সাহায্য করতে চাই।!



 ছাত্র-শিক্ষক!!!

স্যারঃ বলতো ভালবাসার ওজন কত কেজি?

বল্টু : ৮০ কেজি স্যার।

স্যারঃ হা হা হা..... কিভাবে?

বল্টু :'ভালবাসা হচ্ছে ২টি মনের মিলন, আর আমরা জানি যে...১মন=৪০ কেজি 

সুতারাং, ২মন=৪০+৪০কেজি=৮০ কেজি।' (প্রমাণিত)



স্যার- ৫টি ফুলের নাম বলো?

ছাত্র- আপনার মেয়ে দেখতে বিউটিফুল_হাসলে লাগে ওয়ান্ডারফুল_ফিগারটা কিন্তু হাউসফুল_আমার নাম সাইফুল_আমার শশ্বুর আশরাফুল



দারূন শিক্ষক vs ছাত্র জোকস........

শিক্ষক: তুমি H.S.C এর পূর্ন মিনিং বলো।

ছাত্র: এতো এক্কেরে সোজা।H=হেডমাষ্টার,S= স্যান্ডেল,C= চুর।

শিক্ষক 'হারামজাদা শয়তান ছেলে'

ছাত্র: জ্বী স্যার, আপনেরটাও ঠিক আছে!!!

শিক্ষক:shokzzz___

ছাত্র:rokzzz___

[___লুল___]



দুই ছাত্র, মারামারি করছে

শিক্ষক: এইতোরা মারামারি করছ কেনো?

১ম ছাত্র: স্যার, ও আমার গার্লফ্রেন্ডকে কিস করেছে!

শিক্ষক:তোর গার্লফ্রেন্ডটা কে??

১ম ছাত্র: আপনার মেয়ে!

শিক্ষক: থামলি কেনো?মার শালাকে...



শিক্ষক : তোমরা যদি কখনো দেখ কেউ পানিতে ডুবে যাচ্ছে,তখন সাথে সাথে তার চুল ধরে পানি থেকে উদ্ধার করবে।  

তখন একথা শুনে এক..

ছাত্র বলল : স্যার আপনি যদি ডুবে যান তাহলে উদ্ধার করবো না।

শিক্ষক : কেন?আমি আবার কি অপরাধ করলাম!

ছাত্র : কারণ আপনার ছাদে তো মাল নেই।

শিক্ষক : কি বলতে চাস হারামজাদা?

ছাত্র : মানে,

আপনার মাথায় তো চুল নেই।



 কে বেশি অলস

শিক্ষক ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন, ‘আমি ঠিক করেছি, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে অলস যে, তাকে পড়া দিতে হবে না। কে সবচেয়ে অলস?

 ৪৯ জন ছাত্র হাত তুলল। 

 স্যার হাত না তোলা ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি হাত তুলছ না কেন?’

ছাত্র জবাব দেয় স্যার, হাত তুলতে কষ্টহয়।



এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার আগের দিন এখন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পরামর্শমূলক লাইভ অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। ধরুন, এ রকমই এক অনুষ্ঠানে ঢাকার একটি বিখ্যাত স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো হলো। কিন্তু তিনি কিছুতেই আসতে চাইলেন না। কারণ, তিনি ছিলেন সাবেকি আমলের কড়া ধাঁচের প্রধান শিক্ষকদের মতো একজন। অনেক বোঝানোর পর তাঁকে অবশেষে রাজি করানো গেল। তিনি যথাসময়ে অনুষ্ঠানে এলেন।

উপস্থাপক পরীক্ষাবিষয়ক কিছু ভালো ভালো কথা বললেন। সেই সময় একটা ফোন এল,

একজন ছাত্র ফোনে তার সমস্যার কথা বলল। তার কথা শেষ হতে না হতেই প্রধান

শিক্ষক গর্জে উঠলেন, ‘পরীক্ষার আগের দিন টিভির সামনে বসে কী করো?

ফাইজলামির আর জায়গা পাওয়া গেল না? যাও, পড়তে যাও।’



ছাত্র-শিক্ষক!!!

কলেজের স্যার বলল - খাতায় সবাই নিজের ভালবাসার মানুষটির নাম লিখ।

ছেলেরা ৫ সেকেন্ড এর মধ্যে খাতা জমা দিয়ে দিল কিন্তু........

মেয়েরা ৫ মিনিট পর বলল -

লুজ পেপার please.....!!

সবাই কি বুঝলেন …………



কলেজ স্টাফ মোস্তাফিজ ক্যাডেট রহমানকে ডেকে বললেন, ‘এই, তুমি কি দেখোনি ক্যাডেটদের বাঁয়ে যেতে নিষেধ লেখা আছে?’

ক্যাডেট রহমান বলল, ‘জি স্টাফ, দেখেছি। কিন্তু আপনাকে দেখিনি!’



কোনো সিনিয়র ক্যাডেট যখন ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘এই বেয়াদপ, কী বললে তুমি?’ তার মানে হচ্ছে তখন তিনি জুনিয়র ক্যাডেটকে আগের কথাটা বদলে ফেলার জন্য সুযোগ দিয়েছেন!



স্টুডেন্ট পড়াচ্ছিলাম। স্টুডেন্টের ছোট ভাই পিচ্চিটা এল, হাতে ক্রিকেট ব্যাট। আমি বললাম, ‘বাবু, তুমি বিপিএল দেখো?’

‘হ্যাঁ’

‘কাদের ভালো লাগে?’

‘নাইট রাইটার! (রাইডার্স)’

‘ওরা তো বিপিএলে খেলছে না।’

সে চেঁচিয়ে বলল, ‘হু টোল ইউ? অয়েল মেশিন! (হু টোল্ড ইউ? অয়েল ইওর ওন মেশিন!)’

আমি আবার বলতে যেতেই স্টুডেন্ট বলল, ‘স্যার, আর কিছু বলিয়েন না। রেগে গেলে ব্যাট দিয় বাড়ি দেবে।’

আমি চুপ করে গেলাম!



অ্যানাটমি ডিসেকশন ক্লাসে লাশ কেটে কেটে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কে শেখানো হয়। এই লাশগুলো সাধারণত বেওয়ারিশ হিসেবে পাওয়া। এ রকম একটা ক্লাসে একটা লাশ কেটে কেটে স্যার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়াচ্ছিলেন। হঠাৎ স্যার কিডনির জায়গাটায় হাত দিয়ে দেখলেন কিডনিগুলো নেই। সম্ভবত অন্য কোনো গ্রুপে কিডনি নিয়ে পড়ানোর জন্য ওটা কেটে নেওয়া হয়েছিল। স্যার তখন বললেন, রফিককে ডাকো। রফিক ছিলেন লাশ সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মচারী। রফিক আসতেই স্যার বললেন, ‘রফিক, একটা কিডনি দাও তো।’

ক্লাসের পেছনের দিকে বসা জাভেদ তখন সশব্দে বলে উঠল, ‘কেন স্যার, ওই কিডনিটা এনে ট্রান্সপ্ল্যান্ট করে একে বাঁচিয়ে তুলবেন নাকি?’



এই গল্পটা আমার বন্ধু তানভীরের কাছ থেকে শোনা। তার এক বোন তানমী, মেডিকেলে পড়ে। সার্জারি ক্লাস করতে সে অপারেশন থিয়েটারে গেল। হঠাৎ সার্জারি করতে ব্যস্ত থাকা একজন জুনিয়র সার্জন তাকে বললেন, ‘এই তানমী, আমাকে চিনতে পারছ?’

তানমী বলল, ‘না স্যার।’

তিনি বললেন, ‘আরে আমাকে তুমি চিনতে পারছ না! আমি তোমাদের মেডিকেল ভর্তি কোচিংয়ে জীববিজ্ঞানের অনেক ক্লাস নিয়েছি।’

তানমী তখনো চিনতে পারছে না দেখে তিনি খুবই মর্মাহত হয়ে বললেন, ‘মনে করে দেখো, একদিন তোমাকে খুব ঝাড়ি দিয়েছিলাম, এখন চিনতে পারছ?’

তানমী বলল, ‘স্যার, চিনব কীভাবে? আপনার মুখে তো মাস্ক পরা।’



অনেক কাল আগে রাস্তাঘাটে কালেভদ্রে কারও গায়ে অ্যাপ্রন দেখলে লোকে সম্মান করে কথা বলত। ডাক্তার বা মেডিকেল স্টুডেন্ট বলে কথা! এখন অবশ্য অ্যাপ্রনের সেই ভাব নেই। অনেক স্কুল-কলেজে অ্যাপ্রন আজকাল সাধারণ এক ইউনিফর্মের নাম। চকচকে এয়ারকন্ডিশন সেলুনের নরসুন্দররাও আজকাল চুল কাটার আগে অ্যাপ্রন পরে নেন। আমার মেডিকেল-জীবনের প্রথম দিনের একটা ঘটনা বলি। প্রথম ক্লাসে যাওয়ার সময় কাঁধে অ্যাপ্রন ঝুলিয়ে কলেজের দিকে যাচ্ছিলাম। পড়লাম জনৈক অধ্যাপকের সামনে। ‘এই ছেলে, মাস্তানের মতো কাঁধে অ্যাপ্রন ঝুলিয়ে হাঁটছ কেন?’ মাস্তানরা কাঁধে অ্যাপ্রন ঝুলিয়ে হাঁটে—এটাই ছিল আমার মেডিকেল-জীবনের প্রথম তাত্ত্বিক শিক্ষা। আমি সালাম দিয়ে দ্রুত কাঁধ থেকে অ্যাপ্রন নামিয়ে গায়ে দিতে দিতে কলেজে ঢুকছিলাম আর আড়চোখে দেখলাম স্যার তাঁর গা থেকে অ্যাপ্রনটা খুলে কাঁধে ঝুলিয়ে গাড়িতে গেলেন। সম্ভবত তিনি চেম্বারে যাচ্ছিলেন।



প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ মিনিট দেরি করে এসেছে দেখে ক্যাডেট সাব্বিরকে ডাক দিলেন সার্জেন্ট। বললেন, ‘তোমার এখানে আরও ১০ মিনিট আগে আসা উচিত ছিল।’

সাব্বির চোখ কচলাতে কচলাতে বলল, ‘কেন, স্টাফ? ১০ মিনিট আগে কিছু হয়েছিল নাকি?’



ক্যাডেট কলেজে নতুন নৈশপ্রহরী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা চলছে। অ্যাডজুট্যান্ট স্যার বললেন, ‘ক্যাডেট কলেজে বাইরের চোরের উপদ্রব নেই, বরং কলেজে যেসব ক্যাডেট আছে, তাদেরকে কন্ট্রোল করাই কঠিন! এদের অনেকেই রাতে কলেজ পালাতে চায়। ভেবে দেখো, তুমি তাদের কন্ট্রোল করতে পারবে তো?’

চাকরিপ্রার্থী ভদ্রলোক জবাব দিলেন, ‘পারব না মানে, অবশ্যই পারব, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।’



এক ভদ্রলোক, বয়স পঁয়তাল্লিশের ঘরে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছেলেদের হোস্টেলের সামনে এসে অনেকক্ষণ ধরে ঘোরাঘুরি করছেন দেখে একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট এগিয়ে গিয়ে বলল, ‘আংকেল, আপনি কাকে খুঁজছেন?’

তিনি বললেন, ‘আমি একটু বোনের খোঁজে এসেছিলাম।’

ছেলেটি বলল, ‘আপনি তো ভুল জায়গায় এসেছেন। আপনি এক কাজ করুন, রাস্তা পার হয়ে ওপারে ক্যাম্পাসের ভেতরে মেয়েদের হোস্টেলে খোঁজ নিন, ওখানে আপনার বোন থাকতে পারে।’

তিনি বললেন, ‘না, ওই বোন না। আমি এসেছি বোন মানে হাড্ডির সেট কিনতে। আমার ছেলে এই বছর মেডিকেলে চান্স পেল তো!’



বিজ্ঞান শাখায় পড়াশোনা করায় বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের নাম মনে রাখতে আমাদের প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। সম্প্রতি আমার এক সহপাঠী বিজ্ঞানীদের নাম মনে রাখার পদ্ধতি বের করেছে। তারই একটা নমুনা:

বিজ্ঞানীর নাম: মার্সেলো মালপিজি

নাম মনে রাখার উপায়: এক লোক চুরি করে ধরা পড়লে লোকজন তাকে এমন মার দিল (মার্সেলো) যে তাকে চুরির মাল ফেরত দিয়ে পিজি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় (মাল+পিজি= মালপিজি)। সেই থেকে তার নাম মার্সেলো মালপিজি।



এসএসসি পরীক্ষা চলছে। জীববিজ্ঞান। পেছনের বেঞ্চ থেকে সহপাঠীর ডাক—

—ওই, ১-এর গ লিখছিস?

—হুঁ, লিখছি।

—এটিপি ভাঙার পর কী হয় রে?

—প্রথমে ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড, তারপর ৩ কার্বনবিশিষ্ট ২ অণু…

—ওয়েট ওয়েট! ফসফোগ্লিসারিন?

—না, গ্লিসারিক।

—গ্লিসারিল?

-না, না, গ্লিসারিক! গ্লিসারিক! ক! ক-তে কাদের মোল্লা! কাদের মোল্লার ক!



ক্লাসে বেশ কিছু জাতের মুরগির ছবি দেখিয়ে শিক্ষক বললেন, ‘পল্টু, তোমার কোন ধরনের মুরগি পছন্দ?’

পল্টু: ঝলসানো মুরগি স্যার!



একদিন রতনের ওপর খুব খেপে গেলেন ক্লাসের শিক্ষক। হাতের স্কেলটা রতনের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ‘এই স্কেলের এক প্রান্তে একটা গর্দভ দাঁড়িয়ে আছে।’

রতন বললো, ‘কোন প্রান্তে স্যার?’



মন্টিকে ধমক দিয়ে বললেন শিক্ষক, ‘এই! ক্লাসে ঘুমাচ্ছ কেন?’

মন্টি: ম্যাডাম, আপনার কণ্ঠস্বর এতই মধুর, শুনলেই আমার ঘুম এসে যায়!

শিক্ষক: তো বাকিরা কেউ ঘুমাচ্ছে না কেন?

মন্টি: কারণ, ওরা আপনার কথা শুনছে না!



একটি নতুন নন–রেজিস্টার্ড স্কুলে গেছেন পরিদর্শক। তিনি ছাত্রদের মেধা যাচাই করতে ক্লাসে ঢুকে ছাত্রদের প্রশ্ন করছেন-

ভিজিটর: আচ্ছা বলো তো, টুইন টাওয়ার কে বা কারা ভেঙেছিল?

ছাত্ররা: স্যার, আমরা ভাঙি নাই।

শিক্ষক: স্যার, যে-ই ভেঙে থাকুক ফাজিলের দল কেউ স্বীকার করবে না।



মৌখিক পরীক্ষার সময় স্যার আমাদের এক বন্ধুকে পরীক্ষার রুম থেকে বের করে দিলেন। বাকরুদ্ধ হয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেল ওই বন্ধু। তাকে বের করে দিয়েও থামলেন না স্যার। চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘কত বড় সাহস! আমার সামনে বসেই কিনা নকল করে!’

আমরা হোস্টেলে এসে ওকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করেছিলি রে?’

ও বলল, ‘তেমন কিছু না, বুকটা একটু চুলকাচ্ছিলাম। ঘামাচি হয়েছে তো!’

জানতে চাইলাম, ‘স্যার কী প্রশ্ন ধরেছিলেন?’

ও বলল, ‘মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত?’



শিক্ষক: তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন, রোকনের খুব জ্বর হয়েছে এবং ও আজ স্কুলে আসতে পারবে না?

এপাশ থেকে: হু!

শিক্ষক: আপনি কে বলছেন?

এপাশ থেকে: আমার আব্বু বলছি।



নিবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে সোহান। পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর তাকে কিছু বলার জন্য অনুরোধ করা হলো। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করল সোহান, ‘প্রথমেই আমি ধন্যবাদ দিতে চাই ইন্টারনেট, গুগল, উইকিপিডিয়া, মাইক্রোসফট অফিস এবং কপি-পেস্ট কে…।’



শিক্ষক: ইমন, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন?

ইমন: স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। আপনি হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।



শিক্ষক: বল তো পল্টু, ঘোড়ার মাথা উত্তর দিকে থাকলে লেজ কোন দিকে?

পল্টু: দক্ষিণ দিকে।

শিক্ষক: হয়নি। নিচের দিকে।



শিক্ষক: রতন, পানিতে বাস করে এমন পাঁচটি প্রাণীর নাম বলো।

রতন: ব্যাঙ।

শিক্ষক: আর বাকি চারটা?

রতন: ব্যাঙের মা, বাবা, বোন আর প্রেমিকা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

আমাদের ওয়েবসাইট আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে আরও জানুন
Accept !
To Top