ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার নিয়ম
● আমি ক্বিবলামুখী হয়ে আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য ছয় তাকবীরের সাথে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার-এর ওয়াজিব নামায এই ইমামের পিছনে আদায় করছি- আল্লাহু আকবার।
● তাকবিরে তাহরিমা (১ম তাকবির)।
● হাত বাঁধা (কারণ এর পর ছানা পড়তে হবে)
● ছানা পড়া।।
● ১ম -অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।
● হাত ছেড়ে দেওয়া (কেননা এরপরে তো আর কোন সূরা পড়া হচ্ছে না)।
● ২য় -অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।
● হাত ছেড়ে দেওয়া (কেননা এরপরে তো আর কোন সূরা পড়া হচ্ছে না)।
● ৩য় -অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।
● হাত বেঁধে ফেলা (কারণ এর পর সূরা পড়া হবে)
● সূরা ফাতিহা +অন্য সূরা মিলানো।
● তাকবির দেওয়া।
● রুকু করা।
● রুকু থেকে দাঁড়ানো।
● সিজদায় যাওয়া।
● ২টি সিজদা করা।
● তাকবির দেওয়া (২য় রাকাতের জন্য)।
● ২য় রাকাত
● হাত বেঁধে দাঁড়ানো।
● সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলানো।
● ৪র্থ-অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।
● হাত ছেড়ে দেওয়া (কেননা এরপরে তো আর কোন সূরা পড়া হচ্ছে না)।
● ৫ম-অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।
● হাত ছেড়ে দেওয়া (কেননা এরপরে তো আর কোন সূরা পড়া হচ্ছে না)।
● ৬ষ্ঠ -অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া।।
● হাত না বাঁধা (কেননা এরপরে তো আর কোন সূরা পড়া হচ্ছে না,রুকুতে যেতে হচ্ছে)।
● রুকু করা।
● রুকু থেকে দাঁড়ানো।
● সিজদায় যাওয়া।
● ২টি সিজদা করা।
● তার পর নিয়ম মত তাশাহুদ দুরূদ শরীফ ও দোয়া মাসূরা পাঠ করে সালাম ফিরিয়ে ঈদের নামাজ শেষ করবে।ইমাম সাহেব দুইটি খুতবা পাঠ করবেন।মুত্তাদিরা মনযোগসহকারে শুনবেন খুতবা শোনা ওয়াজিব।
উল্লেখ যে,ঈদের নামাজের জন্য আযান এবং ইকামতের প্রয়োজন নেই।ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযাহার নামাজ একই রকম শুধুমাএ নিয়ত করার সময় ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযাহার নাম পরিবর্তন করতে হবে।