"মৃত্যুক্ষুধা" নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীল ও স্ফূর্তিশীল সাহিত্য বিশ্বকে স্বপ্নচারী করে তুলে ধরেছে। তাঁর প্রতিটি কাব্য, গান ও নাটকে শক্তির জ্বালা উঠে থাকে। কিন্তু তাঁর একটি উপন্যাস, যা কেবল সৃষ্টিশীল নয়, বরং স্ফূর্তিশীল এবং প্রকাশ্যশীল হওয়ার সাথে সাথে সাম্যবাদী চেতনার একটি উদাহরণ হিসাবে গণ্য হয়। এই উপন্যাসের নাম "মৃত্যুক্ষুধা"।
"মৃত্যুক্ষুধা" উপন্যাসে কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর চরিত্রগুলোর মাধ্যমে একটি প্রতিক্রিয়া দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এটি একটি গভীর সামাজিক উদ্বেগ ও নারী প্রতিরোধের উপন্যাস। প্রধান চরিত্র রাজিনা খাতুন হিসাবে কাজী নজরুল ইসলাম একটি সহ্যশীল নারীকে চিত্রিত করেছেন, যা আধুনিক সমাজে একটি প্রতিনিধিত্ব দেয়।
"মৃত্যুক্ষুধা" কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি উপন্যাস। উপন্যাসটি সওগাত পত্রিকায় ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাস থেকে ১৩৩৬ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে মুদ্রিত হয়। গ্রন্থাকারে এটি ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়। বলা হয়েছে “মৃত্যুক্ষুধা“ কাজী নজরুলের ইসলামের “কালজয়ী” উপন্যাস। আরো বলা হয়েছে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সাম্যবাদী চেতনার উপন্যাস।
মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের তথ্য:
লেখক : কাজী নজরুল ইসলাম
দেশ : ভারত
ভাষা : বাংলা
বিষয় : সমাজবাস্তবতা
ধরন : উপন্যাস
প্রকাশনার তারিখ : ১৯৩০
মিডিয়া ধরন : মুদ্রিত গ্রন্থ
